দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতালে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে চিকিৎসাসেবার বিভিন্ন অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। এ সময় ছুটি ছাড়াই কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকায় হাসপাতালের ফার্মাসিস্ট রিগান আহমেদকে তাৎক্ষণিক বদলির নির্দেশ দেন তিনি।
শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে কোনো ধরনের পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই হাসপাতালে যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তাঁর আকস্মিক উপস্থিতিতে হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
হাসপাতালে পৌঁছে বিভিন্ন ওয়ার্ড, বিভাগ ও চিকিৎসাসেবা কেন্দ্র ঘুরে দেখেন মন্ত্রী। এ সময় চিকিৎসক, নার্স ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি ও দায়িত্ব পালন, হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা, রোগীদের সুযোগ-সুবিধা এবং সার্বিক চিকিৎসাসেবার মান পর্যবেক্ষণ করেন তিনি।
পরিদর্শনের সময় ভর্তি রোগীদের সঙ্গে কথা বলে তাঁরা ঠিকমতো চিকিৎসাসেবা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ পাচ্ছেন কি না, তা জানতে চান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। রোগীরাও হাসপাতালের বিভিন্ন সমস্যা ও অব্যবস্থাপনার কথা তাঁর কাছে তুলে ধরেন। তাঁদের অভিযোগ শুনে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।
হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে কিছু অসঙ্গতি ও অব্যবস্থাপনা দেখতে পেয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। রোগীদের সেবায় কোনো ধরনের গাফিলতি না করার পাশাপাশি চিকিৎসক, নার্স ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্ব পালনে আরও আন্তরিক ও জবাবদিহিমূলক হওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।
পরে হাসপাতালের ডিসপেনসারি পরিদর্শনে গিয়ে ফার্মাসিস্ট রিগান আহমেদকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত দেখতে পান মন্ত্রী। ছুটির বিষয়ে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তিনি কোনো ছুটি ছাড়াই কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন। এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে তাঁকে বদলির নির্দেশ দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
পরিদর্শন শেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, রোগীদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। হাসপাতালে কোনো ধরনের অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা কিংবা দায়িত্বে অবহেলা মেনে নেওয়া হবে না। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে এবং রোগীদের সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সেবা দিতে হবে।
এমএস/